ঢাকাSaturday , 22 June 2024
  • অন্যান্য

‘বহুত খাইয়্যো আর ন খাইয়্যো’

আবদুর রহিম
ডিসেম্বর ২৮, ২০২৩ ৫:২৩ অপরাহ্ণ । ১০৪ জন
link Copied

চট্টগ্রাম ১১ আসনে আওয়ামী লীগের গত ৩ বারের সাংসদ আবদুল লতিফ আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদেও চতুর্থ বারের মত নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন। কিন্তু গত ২ বার বিরোধী দলবিহীন নির্বাচনে নিশ্চিন্তে জয় পেলেও এবার বিরোধী দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও তাঁকে তারই দলের স্বতন্ত্র নামক শক্ত প্রার্থীর বিরুদ্ধে লড়াই করতে ঘাম ঝরাতে হচ্ছে।

কেটলী প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউল হক সুমন একজন আওয়ামী লীগ নেতা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৩৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর।

আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার নৌকা মার্কার প্রার্থী আবদুল লতিফকে ইতিমধ্যে প্রত্যাখ্যান করে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন প্রকাশ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়াউল হক সুমনকে সমর্থন দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। এতে বেকায়দায় পড়েছেন নৌকার প্রার্থী আবদুল লতিফ।

চট্টগ্রাম ১১ আসনটি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ২৭,২৮,২৯,৩০,৩৬,৩৭,৩৮,৩৯,৪০ ও ৪১ নং ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। এখানে রয়েছে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর, বিমান বন্দর, তৈল শোধনাগার, বাংলাদেশের বৃহৎ রপ্তানি প্রক্রিয়াজাত অঞ্চলসহ অসংখ্য শিল্প কারখানা। যার কারণে চট্টগ্রাম ১১ আসনটির প্রতি সবাইর লোলুপ দৃষ্টি থাকে।

আর এই অর্থনৈতিক স্বার্থের দ্বন্দ্বে দ্বিধা বিভক্ত হয়ে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা গত ৩ বারের সাংসদকে উদ্দেশ্য করে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় নতুন শ্লোগান বানিয়েছেন ‘বহুত খাইয়্যো আর ন খাইয়্যো’ অর্থাৎ ‘এতদিন অনেক খাইছেন এখন আর খাওয়ার দিন নাই’।
সাধারণ মানুষ সরকারি দল অর্থাৎ আওয়ামী লীগেরই স্বতন্ত্র সমর্থকদের মুখে নিজ দলের নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে বন্দরকে নিয়ে লুটপাটের এই ধরনের শ্লোগানকে বেশ উপভোগ করছেন এবং সাথে সাথে নিজেদের ক্ষমতাসীন সাংসদের দুর্নীতির চিত্র নিজেরাই প্রকাশ করছেন।