ঢাকাFriday , 23 February 2024
  • অন্যান্য

কৃষক ও কৃষাণীর চোখে-মুখে আনন্দের ছোঁয়া

তৌহিদুল ইসলাম সরকার
নভেম্বর ২২, ২০২৩ ৭:১৩ অপরাহ্ণ । ৬৮ জন
link Copied

ময়মনসিংহের-নান্দাইলে ফসলের মাঠজুড়ে ঝলমল করছে রোপা-আমনের সোনালি শীষ। কৃষকের স্বপ্ন কেড়েছে সোনালী মাঠে। শীষে শীষে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন। ফসলের ভরা মাঠে পূর্ণতা পেয়েছে কৃষকের স্বপ্ন। কৃষাণীর চোখে মুখে ফুটে উঠেছে আনন্দের ছোঁয়া। রাশি রাশি সোনালি ধানে ভরে উঠবে শূন্য গোলা।

নতুন স্বপ্নে ভরে উঠবে সংসার। ছেলেমেয়েদের জন্য আনবে নতুন জামা। পায়েস-পিঠার পড়বে ধুম। হৈ-হুল্লোড় সেকি আনন্দ। ফলে মাঠে দোল খাওয়া নতুন ধানের নতুন স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা।’

নান্দাইল উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও ১ পৌরসভায় ২২৪১০ হেক্টর জমিতে রোপা-আমন আবাদ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু এবার অতি বৃষ্টিতে ৯ হাজার ৫০০ হেক্টর জমির রোপা আমন ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখার ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৪৭৮২ মেট্রিক টন। কৃষকরা রোপা আমনের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন।

এ বছর সময়মতো বৃষ্টি না হওয়ায় দেরিতে রোপা-আমন চাষ হলেও ফসলের মাঠ অনেক সুন্দর হয়েছে।

সবল-সতেজ চারা এবং শীষ বের হয়েছে। তাই এবার ধানের বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ফলে চলতি আমন মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ধানের খেত ঘুরে দেখা গেছে, মাঠে মাঠে সোনালি ধানের শীষের সমারোহ। ধানের প্রতিটি খেতে সোনালি শীষ দুলছে। আগাম ধান কাটতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক। স্থানীয় কৃষকরা জানান, কৃষি অফিসের সহযোগিতা ও পরামর্শে চাষাবাদকৃত রোপা-আমন ধান অনেক ভালো হয়েছে।
উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের বাতুয়াদী গ্রামের কৃষক রিটন মিয়া, রুহুল আমিন, মঞ্জিল মিয়া, আবুল কালাম, সুলতান উদ্দিনসহ আনকেই বলেন, চলতি বছর ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছি আমরা। আর কয়দিন পরই ফলন ঘরে তুলতে পারব।’

নান্দাইল উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান জানান, এবার অতি বর্ষণে ৯ হাজার ৫০০ হেক্টর জমির রোগা-আমন ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে আনুমানিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১১৬ কোটি ৯৮ লাখ ৭২ হাজার টাকা। তারপরও রোগা-আমন ধানের বাম্পার ফলন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে আমরা মাঠপর্যায়ে কাজ করছি। ফলনও বেশ ভালো হয়েছে।

এনপি