ঢাকাMonday , 22 April 2024

রাজশাহীর চরে ফসল নষ্ট করে বৃক্ষ রোপণের অভিযোগ

বাংলা ডেস্ক
নভেম্বর ৪, ২০২৩ ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ । ৮৪ জন
link Copied

রাজশাহীর পবা উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের চর মাজারদিয়াড়ে কৃষকের ফসল নষ্ট করে বন বিভাগের বৃক্ষ রোপণের অভিযোগ উঠেছে। যেখানে শতাধিক কৃষকের ফসল রয়েছে। এতে বড় ক্ষতির মুখে পড়েছে কৃষকরা।

শনিবার সরজমিনে চর মাজারদিয়াড় দিয়ে দেখা গেছে, শতাধিক বিঘা জমিতে সবুজ কালাইয়ের গাছ রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে মৌসুমি শাক-সবজির আবাদ। এর মধ্যেই হাজার হাজার বিভিন্ন জাতের গাছ রোপণ করছে বন বিভাগের কর্মকর্তারা।

কৃষকদের দাবি, জমিগুলি তাদের পৈতিক সম্পত্তি ও রেকর্ডকৃত দলিলপত্রও রয়েছে। এই জমিতে র্দীঘদিন যাবত শতাধিক কৃষক বিভিন্ন ফসল চাষ করে আসছে। তাদের উৎপাদনকৃত শাক-সবজি রাজশাহী মহানগরসহ সারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় রপ্তানি হয়ে থাকে।

বিশেষ করে চরে উৎপাদনকৃত শাক-সবজি মহানগরবাসীর বেশির ভাগ সবজি বাজারের চাহিদা পুরন করে থাকে। সেই কৃষি জমিতে হটাৎ রাজশাহী বন বিভাগের লোকজন গত ১৫ দিন আগে থেকে বৃক্ষ রোপণ শুরু করেছে । এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক, পবা উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা, উপজেলা বন কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যনের কাছে গিয়েও কোন প্রতিকার মেলেনি বলে জানান কৃষকরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চর মাজাড়দিয়াড় গ্রামের রহেদ বক্সের ছেলে আবুল হোসেনের ৬০ বিঘা, রয়েস উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান বাবুর রয়েছে ৩৮ বিঘা, মৃত শাবদুলের ছেলে ইলিয়াসের রয়েছে ৭০ বিঘা জমি, মকছেদের ছেলে মিঠুর রয়েছে ৬০ বিঘা, মৃত আশরাফ হোসেনের ছেলে মতিউর রহমানের রয়েছে ৮০ বিঘা, জাব্বার মোল্লার ছেলে রমজানের রয়েছে ১৫০ বিঘা, শজবার আলীর ছেলে মুকুল আলীর রয়েছে ২৫ বিঘা, আবুল হোসেনের ছেলে রুবেলের রয়েছে ২৫ বিঘা, হাবিবুর রহমানের ছেলে হিটুর রয়েছে ২৫ বিঘা।

এছাড়া, প্রায় তিনশত বিঘা জমি র্দীঘদিন যাবত ভোগ দখল করে চাষ করে আসছেন স্থানীয় কৃষকরা। এসব জমির মধ্যে প্রায় ১০০ বিঘা জমিতে কালাই চাষ করেছে তারা।

জানতে চাইলে রাজশাহী বন বিভাগের ফরেস্ট গার্ড মুঞ্জুর রহমান বলেন, আমরা কোন কৃষকের জমিতে গাছ লাগাচ্ছি না। এটা আমাদের সরকারি খাস সম্পত্তি। পবা উপজেলার সহকারি ভূমি অফিস থেকে দিয়েছে। এখানে কোন কৃষকের খাজনা খারিজ করা সম্পত্তি নেই। এসব জমি খাস খতিয়ানে রয়েছে। সরকারি সম্পদে আমরা বন বিভাগের বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, কৃষকদের নিয়ে একটি সমিতি করা হবে। গাছগুলি যখন বড় হবে ও বিক্রি করা হবে, সেই সময় কৃষকরা একটি পারসেন্টেস (টাকা) পাবে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে পবা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিত সরকারের মোবাইলফোনে সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পওয়া যায়নি।

আরএইচএফ/এসআর